নাটোরের লালপুর উপজেলায় নিজ কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগে এক পিতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার দুয়ারিয়া ইউনিয়নের দুর্গাপুর সাতপুকুরিয়া এলাকায়। অভিযুক্ত ব্যক্তি আঃ লতিফকে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে লালপুর থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মেয়ে মরিয়ম (ছদ্মনাম) অভিযুক্তের আপন কন্যা। অভিযুক্তের মায়ের সঙ্গে পূর্বেই বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। পরবর্তীতে মেয়ের মা অন্যত্র বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। এ কারণে বেশির ভাগ সময় তার মেয়ে তার নানির বাড়ি, গোপালপুর পৌরসভার বৈদ্যনাথপুর এলাকায় বসবাস করে এবং মাঝে মাঝে তার পিতার বাড়িতে যাতায়াত করত।
অভিযোগ অনুযায়ী, গতকাল তার পিতার ডাকে তার বাড়িতে বেড়াতে গেলে গভীর রাতে অভিযুক্ত আ. লতিফ তার ঘরে প্রবেশ করে তাকে একা পেয়ে ধর্ষণ করে। ঘটনার পর সকালে মেয়েটি তার নানির বাড়িতে ফিরে গিয়ে পুরো বিষয়টি জানায়।
পরবর্তীতে মেয়ের মা বিষয়টি জানতে পেরে বৃহস্পতিবার বিকেলে লালপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে।
এ বিষয়ে লালপুর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম পলাশ জানান, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই আমরা অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছি। ভিকটিমকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
এদিকে, এমন নৃশংস ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ বিরাজ করছে। দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার দুয়ারিয়া ইউনিয়নের দুর্গাপুর সাতপুকুরিয়া এলাকায়। অভিযুক্ত ব্যক্তি আঃ লতিফকে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে লালপুর থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মেয়ে মরিয়ম (ছদ্মনাম) অভিযুক্তের আপন কন্যা। অভিযুক্তের মায়ের সঙ্গে পূর্বেই বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। পরবর্তীতে মেয়ের মা অন্যত্র বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। এ কারণে বেশির ভাগ সময় তার মেয়ে তার নানির বাড়ি, গোপালপুর পৌরসভার বৈদ্যনাথপুর এলাকায় বসবাস করে এবং মাঝে মাঝে তার পিতার বাড়িতে যাতায়াত করত।
অভিযোগ অনুযায়ী, গতকাল তার পিতার ডাকে তার বাড়িতে বেড়াতে গেলে গভীর রাতে অভিযুক্ত আ. লতিফ তার ঘরে প্রবেশ করে তাকে একা পেয়ে ধর্ষণ করে। ঘটনার পর সকালে মেয়েটি তার নানির বাড়িতে ফিরে গিয়ে পুরো বিষয়টি জানায়।
পরবর্তীতে মেয়ের মা বিষয়টি জানতে পেরে বৃহস্পতিবার বিকেলে লালপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে।
এ বিষয়ে লালপুর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম পলাশ জানান, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই আমরা অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছি। ভিকটিমকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
এদিকে, এমন নৃশংস ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ বিরাজ করছে। দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
আবু তালেব, লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি :